রাত ৯:৫৬ l সোমবার l ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ l ৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ l ২৪শে রজব, ১৪৪২ হিজরি l বসন্তকাল
তাড়াশে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টির নারীরা ইরি-বোরো ধান লাগাতে ব্যস্ত কৃষকেরা

তাড়াশে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টির নারীরা ইরি-বোরো ধান লাগাতে ব্যস্ত কৃষকেরা

মো.আলী আক্কাছ তাড়াশ প্রতিনিধি দৈনিক বাংলাদেশের সংবাদ>>>>

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টির নারীরা বীজতলা থেকে বীজ তোলা ও ধান লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ বছর উপজেলায় ২২ হাজার ৬শত ৬০ হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান লাগানো লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে উপজেলা কৃষি অফিস।
উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ধান লাগানোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন আদিবাসি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টির নারীরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠের পর মাঠ কৃষি শ্রমিকরা ধান রোপণ করছেন। পুরুষ ও নারী শ্রমিক একই সঙ্গে ধানের চারা রোপণ করছে। কিন্ত বিপত্তি বাধে সমান কাজ করলেও নারী শ্রমিকেরা মজুরী পান কম। এক পুরুষ শ্রমিক সাড়ে ৩শত টাকা থেকে ৪শত টাকা মজুরী পায় কিন্ত নারীদের ক্ষেত্রে ৩শত টাকা থেকে সাড়ে ৩শত টাকা মজুরী পায়।
উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ধান লাগানোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন আদিবাসি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টির নারীরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠের পর মাঠ কৃষি শ্রমিকরা ধান রোপণ করছেন। পুরুষ ও নারী শ্রমিক একই সঙ্গে ধানের চারা রোপণ করছে। কিন্ত বিপত্তি বাধে সমান কাজ করলেও নারী শ্রমিকেরা মজুরী পান কম। এক পুরুষ শ্রমিক সাড়ে ৩শত টাকা থেকে ৪শত টাকা মজুরী পায় কিন্ত নারীদের ক্ষেত্রে ৩শত টাকা থেকে সাড়ে ৩শত টাকা মজুরী পায়।
সরজমিনে উপজেলা মালশিন মাঠে দেখা যায়, ১৭ জনের একটি দলে মাত্র ২জন পুরুষ রয়েছেন কৃষিকাজে। সেখানে নারী ও পুরুষেরা বীজতলা থেকে বীজ তুলছেন সারিবদ্ধভাবে আবার সেই বীজ নিয়ে জমিতে লাগাবেন।
কৃষি শ্রমিক শ্রীমতি তাপসি বালা বলেন, বিঘা প্রতি বীজ তোলা ও লাগানো মজুরী বাবদ ১হাজার টাকা করে চক্তিবদ্ধ হয়েছেন গৃহ¯’ও সাথে। তারা প্রতিদিন একজন শ্রমিক প্রায় ১০কাঠা করে জমিতে ধান লাগাতে পারেন। এতে মজুরী পরে ৩শত টাকা থেকে সাড়ে ৩শত টাকা।
শ্রমিক শুষীল মাহাতো বলেন, যদি দিন হাজিরায় কাজ করি তাহলে গৃহ¯ে’রা আমাদের পুরুষ শ্রমিকদের সাড়ে ৩শত থেকে চারশো টাকা মজুরী দেন। কিন্ত নারীদের ক্ষেত্রে ২৫০ টাকা থেকে ৩শত টাকা দেন।
আরেক নারী শ্রমিক হাজেরা সিং জানান, নারী ও পুরুষ সমান কাজ করি কিন্ত মজুরীর ক্ষেত্রে বৈষ্যম্যের শিকার হতে হয় আমাদের।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় ২২ হাজার ৬শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান রোপণের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা জানান, উপজেলা এবার আবহাওয়া ভালো রয়েছে। কৃষকেরা পুরো দমে আমন ধানের চারা লাগানোর ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 

সরজমিনে উপজেলা মালশিন মাঠে দেখা যায়, ১৭ জনের একটি দলে মাত্র ২জন পুরুষ রয়েছেন কৃষিকাজে। সেখানে নারী ও পুরুষেরা বীজতলা থেকে বীজ তুলছেন সারিবদ্ধভাবে আবার সেই বীজ নিয়ে জমিতে লাগাবেন।
কৃষি শ্রমিক শ্রীমতি তাপসি বালা বলেন, বিঘা প্রতি বীজ তোলা ও লাগানো মজুরী বাবদ ১হাজার টাকা করে চক্তিবদ্ধ হয়েছেন গৃহ¯’ও সাথে। তারা প্রতিদিন একজন শ্রমিক প্রায় ১০কাঠা করে জমিতে ধান লাগাতে পারেন। এতে মজুরী পরে ৩শত টাকা থেকে সাড়ে ৩শত টাকা।
শ্রমিক শুষীল মাহাতো বলেন, যদি দিন হাজিরায় কাজ করি তাহলে গৃহ¯ে’রা আমাদের পুরুষ শ্রমিকদের সাড়ে ৩শত থেকে চারশো টাকা মজুরী দেন। কিন্ত নারীদের ক্ষেত্রে ২৫০ টাকা থেকে ৩শত টাকা দেন।
আরেক নারী শ্রমিক হাজেরা সিং জানান, নারী ও পুরুষ সমান কাজ করি কিন্ত মজুরীর ক্ষেত্রে বৈষ্যম্যের শিকার হতে হয় আমাদের।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় ২২ হাজার ৬শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান রোপণের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা জানান, উপজেলা এবার আবহাওয়া ভালো রয়েছে। কৃষকেরা পুরো দমে আমন ধানের চারা লাগানোর ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 

অনুসন্ধান করুন

পুরাতন নিউজ দেখুন

© All rights reserved © 2017 dailybsbd.com

Desing & Developed BY লিমন কবির