রাত ৩:১৫ l শুক্রবার l ২০শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ l ৫ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ l ২১শে রজব, ১৪৪২ হিজরি l বসন্তকাল
চাকরির নামে প্রতারক চক্রের, প্রতারণা।

চাকরির নামে প্রতারক চক্রের, প্রতারণা।

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা বিনসাড়া গ্রামের জাহিদ নামের নিরীহ ব্যক্তি এই ঘটনায় শিকার হয়েছে।
সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়, জাহিদ নামের প্রান্তিক কৃষক, তার ছেলের চাকরির জন্য পাশের বলবা গ্রামের, দেলোয়ারের কাছে 33 হাজার টাকা দেন, কিন্তু দেলবার চাকরি না দিয়ে দিনের পর দিন জাহিদকে ঘুরায় এক পর্যায়ে জাহিদ তার গ্রামের মাতব্বর দের কাসে বাদী হয়, গ্রামের মাতব্বররা হলেন ১/হান্নান ২/নূরাল ৩/জাহাঙ্গীর একপর্যায়ে মাতব্বররা জাহিদকে আশ্বাস দেন আপনার টাকা আমরা তুলে দেবো, আপনি দেলোয়ার কে আমাদের সামনে নিয়ে আসেন, দেলোয়ারকে হাজির করা হলে, তারা দেলোয়ারকে সময় দেয়, সে সময়ের মধ্যে দেলোয়ার টাকা দেয় না, জাহিদ মাতব্বরের কাছে গেলে মাতব্বররা বলে, আবার দেলোয়ার কে নিয়ে আসেন, আবার জাহিদ, দেলোয়ারকে নিয়ে আসলে মাতব্বর পুনরায় দেলোয়ারকে সময় দেন, দ্বিতীয় বার সময় দেওয়ার পরেও দেলোয়ার টাকা দেয় না, তখন মাতব্বররা বলে দেলোয়ারার গাড়িটা আটকিয়ে দেন, জাহিদ গাড়ি আটকালে মাতব্বরদেরা দেলোয়ারের পক্ষ নেয়, এবং জাহিদকে হুমকি-ধামকি দেয়া, যে আপনি গাড়ি আটকাইয়াছেন, এখন আপনার ছিনতাইকারীর মধ্যে মামলা হবে, তখন জাহিদ বিপদে পড়ে যায়,পরে জাহিদ মাতব্বরদের বলে, আমাকে বাঁচান, মাতব্বররা সুযোগ নিয়ে, দেলোয়ারের কাছ থেকে 20 হাজার টাকা নেয় এবং গাড়িটা দিয়ে দেয়, কিন্তু জাহিদের টাকাটা দেয় না, মাতব্বররা তালবাহানা করে,জাহিদ বিষয়টি বিনসাড়া গ্রামের আলম কে বলে, আলম দায়িত্ব নিয়ে, দেলোয়ারকে হাজির করে, তখন দেলোয়ার বলে 20 হাজার টাকা মাতব্বরদের কাছে দিয়ে আমি গাড়ি নিয়েছি,আর দশ হাজার টাকা পায়, এটা 15 দিন পর দিব, পড়ে দেলোয়ার জাহিদের কাছে 10 হাজার টাকা দেয়, কিন্তু মাতব্বরদের কাছ থেকে জাহিদ 20,000 টাকা উঠাতে পারে না, দিশাহারা হয়ে জাহিদ পাগলের মত রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে, সর্বস্বান্ত জাহিদ বলে, আমার জীবনের শেষ সম্বল জমিটুকু বিক্রি করে, ছেলের চাকরির জন্য দিয়েছিলাম, কিন্তু চাকরি হলো না, টাকাও ফেরত পেলাম না, আমি এখন কোথায় যাব, আমি প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।

অনুসন্ধান করুন

পুরাতন নিউজ দেখুন

© All rights reserved © 2017 dailybsbd.com

Desing & Developed BY লিমন কবির